অধ্যায় 1 / 33 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
এ দ্যুলোক মধুময়, মধুময় পৃথিবীর ধূলি
এ দ্যুলোক মধুময়, মধুময় পৃথিবীর ধূলি–
অন্তরে নিয়েছি আমি তুলি
এই মহামন্ত্রখানি,
চরিতার্থ জীবনের বাণী।
দিনে দিনে পেয়েছিনু সত্যের যা-কিছু উপহার
মধুরসে ক্ষয় নাই তার।
তাই এই মন্ত্রবাণী মৃত্যুর শেষের প্রান্তে বাজে–
সব ক্ষতি মিথ্যা করি অনন্তের আনন্দ বিরাজে।
শেষ স্পর্শ নিয়ে যাব যবে ধরণীর
ব’লে যাব তোমার ধূলির
তিলক পরেছি ভালে,
দেখেছি নিত্যের জ্যোতি দুর্যোগের মায়ার আড়ালে।
সত্যের আনন্দরূপ এ ধূলিতে নিয়েছে মুরতি,
এই জেনে এ ধুলায় রাখিনু প্রণতি।
উদয়ন, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪১ – সকাল
পরবর্তী পাঠের সুপারিশ
"আরোগ্য" পড়তে পড়তে আপনার পছন্দের অন্যান্য বই
আরোগ্য
আরোগ্য
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সূচিপত্র 33টি অধ্যায়
এ দ্যুলোক মধুময়, মধুময় পৃথিবীর ধূলি 1 যখন এ দেহ হতে রোগে ও জরায় 2 দিন পরে যায় দিন 3 খ্যাতি নিন্দা পার হয়ে জীবনের এসেছি প্রদোষে 4 প্রত্যহ প্রভাতকালে ভক্ত এ কুকুর 5 ভালোবাসা এসেছিল একদিন তরুণ বয়সে 6 দ্বার খোলা ছিল মনে 7 পলাশ আনন্দমূর্তি জীবনের ফাগুনদিনের 8 অলস সময় 9 বিরাট সৃষ্টির ক্ষেত্রে 10 একা ব’সে সংসারের প্রান্ত 11 হিংস্র রাত্রি আসে চুপে চুপে 12 অতি দূরে আকাশের সুকুমার পান্ডুর নীলিমা 13 মুক্তবাতায়নপ্রান্তে জনশূন্য ঘরে 14 ঘন্টা বাজে দূরে 15 নির্জন রোগীর ঘর 16 পরম সুন্দর আলোকের স্নানপুণ্য প্রাতে 17 ফসল কাটা হলে সারা মাঠ হয়ে যায় ফাঁক 18 দিদিমণি– অফুরান সান্ত্বনার খনি 19 এ আমির আবরণ সহজে স্খলিত হয়ে যাক 20 আলোকের অন্তরে যে আনন্দের পরশন পাই 21 ক্ষণে ক্ষণে মনে হয় যাত্রার সময় বুঝি এল 22 ধীরে সন্ধ্যা আসে 23 এ জীবনে সুন্দরের পেয়েছি মধুর আশীর্বাদ 24 মিলের চুমকি গাঁথি ছন্দের পাড়ের মাঝে মাঝে 25 বাক্যের যে ছন্দোজাল শিখেছি গাঁথিতে 26 এ কথা সে কথা মনে আসে 27 বিশুদাদা– দীর্ঘবপু, দৃঢ়বাহু, দুঃসহ কর্তব্যে নাহি বাধা 28 চিরদিন আছি আমি অকেজোর দলে 29 নারী তুমি ধন্যা 30 নগাধিরাজের দূর নেবু 31 অলস শয্যার পাশে জীবন মন্থরগতি চলে 32 বিরাট মানবচিত্তে 33