উপন্যাস
কোথাও কেউ নেই
❖
হুমায়ূন আহমেদ
45 অধ্যায়
সারসংক্ষেপ
গেটের কাছে এসে মুনা ঘড়ি দেখতে চেষ্টা করল। ডায়ালটা এত ছোট কিছুই দেখা গেল না। আলোতেই দেখা যায় না, আর এখন তো অন্ধকার। রিকশা থেকে নেমেই একবার ঘড়ি দেখেছিল সাড়ে সাত। গলির মোড় থেকে এ পর্যন্ত আসতে খুব বেশি হলে চার মিনিট লেগেছে। কাজেই এখন বাজে সাতটা পঁয়ত্ৰিশ। এমন কিছু রাত হয়নি। তবু মুনার অস্বস্তি লাগছে। কালও ফিরতে রাত হয়েছে।
ট্যাগ
উপন্যাস
অধ্যায় সূচিপত্র
মোট 45টি পরিচ্ছেদ
1
০১. মুনা ঘড়ি দেখতে চেষ্টা করল 2
০২. মুনার দেখা নেই 3
০৩. মুনার মনে হল তার জ্বর আসছে 4
০৪. পাল বাবু অবাক হয়ে বললেন 5
০৫. টেলিগ্রামে লেখা ছিল 6
০৬. বাকের ভাই পা ফাঁক করে দাঁড়িয়ে আছেন 7
০৭. মামুন বলল কি কেমন দেখছ 8
০৮. জলিল মিয়ার চায়ের দোকানে 9
০৯. বকুলের বিয়ের কথাবার্তা হচ্ছে 10
১০. শওকত সাহেব 11
১১. স্কুল টিচারদের বাড়ি যে রকম থাকে 12
১২. উকিল খুব ব্যস্ত 13
১৩. শেষ পর্যন্ত টিকে ছিল ইয়াদ 14
১৪. লতিফা ছটফট করছিলেন 15
১৫. বাইরে হাঁটাহাঁটির পরিমাণ 16
১৬. টিনা বিরক্ত হয়ে বলল 17
১৭. পরপর তিন কাপ চা 18
১৮. মামুনের মন খারাপ হয়ে গেল 19
১৯. মামুন এসেছিল 20
২০. আমার নাম ফজলু 21
২১. বাকের একটা মোটর সাইকেল জোগাড় করেছে 22
২২. বকুলকে আজ তার শাশুড়ি দেখতে আসবেন 23
২৩. বাকেরের বড় ভাই হাসান সাহেব 24
২৪. বাড়ি পৌঁছেই তোমাকে চিঠি দেব 25
২৫. হাসান সাহেব শুনলেন 26
২৬. যাদের নাম ক দিয়ে শুরু হয় 27
২৭. বকুলের গায়ে হলুদ 28
২৮. বকুলের বিয়ে হয়ে গেল 29
২৯. এক সপ্তাহ অনেক লম্বা সময় নয় 30
৩০. পুলিশের হাঙ্গামায় বাকের 31
৩১. জাহানারা অবাক হয়ে বলল 32
৩২. শওকত সাহেব চোখ মেললেন 33
৩৩. ঝাঁ ঝাঁ রোদ উঠেছে 34
৩৪. ভদ্রলোক সরু চোখে তাকিয়ে রইলেন 35
৩৫. শওকত সাহেবের জ্বর 36
৩৬. বাকেরের চেহারায় আজ বিরাট পরিবর্তন 37
৩৭. শ্রাবণ মাসের গোড়াতে 38
৩৮. চার মাস হাজতবাসের পর 39
৩৯. ক’দিন ধরেই অসহ্য গরম 40
৪০. জহিরের চিঠি 41
৪১. বাকের নেত্রকোনা স্টেশনে নেমেছে 42
৪২. সিদ্দিক সাহেবকে আজ একটু বিমর্ষ দেখাচ্ছে 43
৪৩. স্যার আমার নাম বাকের 44
৪৪. মামুন জাহানারাদের বাসায় এসে উঠল 45
৪৫. সোনালি ডানার চিল চক্রাকারে ওড়ে লেখক হুমায়ূন আহমেদ-এর অন্যান্য বই
সকল বই →সম্পর্কিত বইসমূহ (সুপারিশ)
"কোথাও কেউ নেই" এর মতো আপনার জন্য বিশেষ বাছাইকৃত আরও বই