বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা
5 অধ্যায়
5.00
ইতিহাস
5টি অধ্যায়

বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা

লেখক / অনুবাদক: বিনয় ঘোষ

5.00 /5.00

সারসংক্ষেপ

বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা গ্রন্থপ্রসঙ্গে ‘সাময়িকপত্রে বাংলার সমাজচিত্র' গ্রন্থমালার পরিকল্পনা করা হয় ১৯৫৯ সালে। প্রথম সংগ্রহের কাজ আরম্ভ হয় ‘সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকা নিয়ে, এবং প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয় জানুয়ারি ১৯৬২ সালে। তারপর ‘তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা’ ‘সম্বাদ ভাস্কর’ ‘বেঙ্গল স্পেক্টেটর’ ‘বিদ্যাদর্শন’ ‘সর্বশুভকরী পত্রিকা’ ‘সোমপ্রকাশ’ প্রভৃতি দুষ্প্রাপ্য পত্রিকার সংকলন দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ খণ্ডে প্রকাশিত হয়। বহু গ্রন্থাগার ও ব্যক্তিগত সংগ্ৰহ থেকে পত্রিকাগুলি সন্ধান করে, তার ভিতর থেকে উপকরণ-নির্বাচন করে, কপি করে, সম্পাদনা করে এক-একটি খণ্ডের কাজ শেষ করতে অনেক সময় লেগেছে। প্রায় দশ বছর লাগল কাজটি শেষ করতে। আত্মজীবনী, জীবনস্মৃতি, চরিতকথা, বংশবৃত্তান্ত ও পারিবারিক বৃত্তান্ত প্রভৃতি সামাজিক ইতিহাসের উপাদান আমাদের দেশে অত্যল্প বলে পুরাতন সাময়িকপত্রের এই উপাদানের মূল্য ও গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। ‘বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা' (১৮০০-১৯০০) এই গ্রন্থমালার শেষ (সমাপ্ত) বা উপসংহার-খণ্ড। এখানে উনিশ শতকের বাংলার সামাজিক ইতিহাসের বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করেছি, প্রধানত সমাজতাত্ত্বিক (Sociological) দৃষ্টিতে। পূর্বের চার খণ্ডের ‘সম্পাদকীয়' প্রবন্ধে ও ‘প্রাসঙ্গিক তথ্যে' উনিশ শতকের বাংলার বিভিন্ন দিক নিয়ে সবিস্তারে আলোচনা করা হয়েছে। আমার লেখা 'বাংলার নবজাগৃতি' ‘বিদ্যাসাগর ও বাঙালী সমাজ' (তিন খণ্ড) ‘বিদ্রোহী ডিরোজিও’ ‘কলকাতা কালচার' প্রভৃতি গ্রন্থেও উনিশ শতকের বাংলার সামাজিক ইতিবৃত্ত আলোচিত হয়েছে। কাজেই বর্তমান গ্রন্থে তার পুনরাবৃত্তি করিনি, সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টি দিয়ে বাঙালি সমাজের পরিবর্তনের মৌল ধারা ও প্রকৃতি বিচারের প্রয়াস পেয়েছি। দুঃসাহসিক প্রয়াস সন্দেহ নেই, কিন্তু ইতিহাসের গতিধারা বিশ্লেষণে অন্তত কিছুটা দুঃসাহসিক না হলে হয়ত নতুন চিন্তা ও দিনির্ণয় করা সম্ভব নয়।

ট্যাগ

ইতিহাস
ইতিহাস ও সংস্কৃতি

সম্পর্কিত বইসমূহ (সুপারিশ)

"বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা" এর মতো আপনার জন্য বিশেষ বাছাইকৃত আরও বই

সব বই দেখুন