মানবজমিন
50 অধ্যায়
4.07
Editor's
50টি অধ্যায়

মানবজমিন

লেখক / অনুবাদক: শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

4.07 /5.00

সারসংক্ষেপ

আকারেই শুধু বড়-মাপের উপন্যাস নয় ‘মানবজমিন’, প্রকারেও ব্যাপ্ত, বিশাল বৈচিত্রময়। এ-যুগের অন্যতম শক্তিমান কথাকার শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের এ-যাবৎকাল প্রকাশিত যাবতীয় প্রধান রচনার প্রবল এক প্রতিস্পর্ধী এই মহান উপন্যাস, আধুনিক বাংলা কথাসাহিত্যের তাবৎ স্মরণীয় কীর্তিমালারও। ঐতিহ্যের সঙ্গে শিকড়ের যোগ এই দুর্লভ সৃষ্টির, সাম্প্রতিকের সঙ্গে আত্মার, আগামীর দিকে বাড়ানো এর কুঁড়ি-ধরানো ডালপালা।অসংখ্য ঘটনা, অজস্র চরিত্র, অফুরান সমস্যা এই উপন্যাসে। তবু কোথাও জট পাকায়নি। পরিণত লেখকের দক্ষ হাতের সুঠাম নিয়ন্ত্রণে প্রতিটি চরিত্র ও কাহিনী সুস্থির, স্বতন্ত্র লক্ষ্যাভিমুখী। লোভ, ঘৃণা, প্রেম, রিপুর তাড়না, বাঁচার ইচ্ছে, উচ্চাকাঙ্খা – এমন যে-সব কিছুর দ্বারা কুম্ভীপাকে নিয়ত সিদ্ধ হচ্ছে মানুষ, তারই উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে এই উপন্যাস। গড়ে উঠেছে মানুষে-মানুষে সম্পর্কের ভাঙচুর ও জোড়-মেলানো নিয়ে।অসংখ্য চরিত্রের ঘাত-প্রতিঘাতে দ্বন্দ্বময় এই উপন্যাসের অন্যতম নায়ক দীপনাথ, যাবতীয় চরিত্রের মধ্যে এক সাধারণ যোগসূত্রের মতো যে কিনা আবর্তিত, যার লড়াই চলেছে কর্মক্ষেত্রে। এক সওদাগরি আপিসের বিগ বসের পি.এ. দীপনাথ, আসলে এক বেতনভোগী ভৃত্য। এই দীপনাথের সঙ্গেই তার বসের বউ মণিদীপার এক বিচিত্র সম্পর্ক গড়ে উঠল। আপাতভাবে রাগের, কিন্তু অন্তঃশীল অনুরাগের। বস তাকে বিয়ে করার প্রস্তাবও দিয়েছিল। কিন্তু দীপনাথ কি সে-প্রস্তাব গ্রহণ করতে পারবে?এ-উপন্যাসের আরেকটি প্রধান চরিত্র তৃষা। মৃত ভাসুর তৃষাকে সব সম্পত্তি লিখে দিয়ে গেছে। লোকে বলে, তৃষার একমাত্র পুত্রের জনক তার ভাসুর। এমন-কি তৃষার স্বামীও। তৃষার বিরুদ্ধে তাই স্বামীর লড়াই।দুরারোগ্য ব্যাধির বিরুদ্ধে যার প্রতিমুহূর্তের একলা যুদ্ধ, সেই প্রীতম, দীপনাথের ভগ্নীপতি, এ-উপন্যাসের আরেক প্রধান চরিত্র। প্রীতমের স্ত্রী স্বামীর প্রতি সেবাপরায়ণা, কিন্তু আগে থেকেই অরুণ নামে এক যুবকের সঙ্গে তার সম্পর্ক।মুখ্যত এই তিন চরিত্রের লড়াই ‘মানবজমিন’। আর লড়াইয়ের অবসানে তিন রকমের যে-পরিণতি, তার মধ্যেই ফুটে উঠেছে অসামান্য এই উপন্যাসের অমোঘ সেই বার্তা, মানবজমিনে যা করতে শেখায় নতুন আবাদ, ভালবাসা ও বিশ্বস্ততার সোনা-ফলানো আবাদ।

ট্যাগ

Editor's
Editor's Choice
উপন্যাস

অধ্যায় সূচিপত্র

মোট 50টি পরিচ্ছেদ
1
০১. পুতুলরাণী হাপিস হয়ে যাওয়াতে
2
০২. দাওয়াতে দাঁড়িয়েই ঘটিভরা জলে
3
০৩. শিলিগুড়ির হোটেল সিনক্লেয়ার
4
০৪. এই শীতে অন্ধকার বারান্দায়
5
০৫. তৃষা বিছানা ছাড়ে শেষ রাতে
6
০৬. মালদা থেকে গভীর রাতে দার্জিলিং মেল
7
০৭. প্রীতমের ঘুম ভাঙে খুব ভোরবেলায়
8
০৮. বিয়ের পর যখন অরুণ এ বাড়িতে আসত
9
০৯. দীপের ঘুম ভাঙল
10
১০. রেসের মাঠে
11
১১. এখানে দু’কাঠা চার ছটাক জমি
12
১২. কুয়াশামাখা জ্যোৎস্নায় নদীর ধারে
13
১৩. বদ্রীর ইনফ্লুয়েনজা হয়েছিল
14
১৪. চাবিটার কথা
15
১৫. শ্রীনাথ নিজেকে সামলে নিয়ে বলল
16
১৬. রবিবার দিনটা দীপনাথের নিরঙ্কুশ ছুটি
17
১৭. সজল এসে প্রণাম করে
18
১৮. তৃষা দীপনাথকে বসিয়ে রেখে
19
১৯. তুমি বেলুন ফোলাবে
20
২০. হাসিমুখে, স্নিগ্ধ মনে
21
২১. কম্বল গায়ে দিয়ে শুয়ে
22
২২. রতনপুরে পাঁচখানা নতুন সাইকেল রিকশা
23
২৩. আমি যদি এই কোম্পানি ছেড়ে দিই
24
২৪. পরদিন অফিসে এসেই দীপনাথ শুনল
25
২৫. দীপ একটু থতমত খেয়েছিল
26
২৬. গর্তের মধ্যে পড়ে গেছে দীপনাথ
27
২৭. বেজি জাতটা কিছুতেই পোষ মানে না
28
২৮. আড়াল থেকে দেখতে পাচ্ছিল সজল
29
২৯. শ্রীনাথ বাড়ির ফটক পেরিয়ে
30
৩০. বোসোহেবের মুখে খুব ছেলেমানুষি হাসি
31
৩১. হুইলচেয়ারে
32
৩২. টালিগঞ্জ ফাঁড়িতে নামবার মুখে
33
৩৩. ট্রেনের কথা একদম খেয়াল থাকে না
34
৩৪. দৈহিক দিক থেকে পঙ্গু
35
৩৫. চেম্বারে ঢুকতেই বোস সাহেব
36
৩৬. ওপরে আজকের তারিখ
37
৩৭. অন্ধকার উঠোন ভরতি জোনাকি
38
৩৮. রাতের নিস্তব্ধতায় নানা গ্রামীণ শব্দ
39
৩৯. শ্রীনাথ অবাক হয়ে বলে
40
৪০. প্রীতম কখনও দুরে কোথাও যায়নি
41
৪১. কলকাতায় এবার খুব বৃষ্টি হচ্ছে
42
৪২. কতকাল পরে রেলগাড়ি দেখছে প্রীতম
43
৪৩. পরদিন ভাইবোনে অফিসে বেরোল
44
৪৪. বেয়ারাকে কিছু বলতে হয়নি
45
৪৫. পুরনো গোয়ালঘরটা ফাঁকা পড়ে থাকে
46
৪৬. মরা বা জ্যান্ত
47
৪৭. নিজের ঘরে দু’জনকে বসাল তৃষা
48
৪৮. এ বাড়িটা অভিশপ্ত কি না
49
৪৯. ঝোপড়ার দরজায় দীপনাথ
50
৫০. কথা শুনে একটু গম্ভীর হতে গিয়ে

সম্পর্কিত বইসমূহ (সুপারিশ)

"মানবজমিন" এর মতো আপনার জন্য বিশেষ বাছাইকৃত আরও বই

সব বই দেখুন