মেঘ বলেছে যাব যাব
26 অধ্যায়
3.98
উপন্যাস
26টি অধ্যায়

মেঘ বলেছে যাব যাব

লেখক / অনুবাদক: হুমায়ূন আহমেদ

3.98 /5.00

সারসংক্ষেপ

ফ্ল্যাপে লেখ কিছু কথাঃমেঘ বলেছে যাবো।আকাশের মেঘেরা কি কথা বলে? তারা কি যেতে চায় কোথাও? তারা কোথায় যেতে চায়? বর্ষান ঘন কালো আকাশের দিকে তাকিয়ে চিত্রলেখার হঠাৎ এই কথা মনে হল। দশ-বার বছরের কিশোরীর মনে এর রকম একটা চিন্তা আসতে পারে, চিত্রলেখার বয়স পঁচিশ। এ রকম উদ্ভট তার জন্যে স্বাভাবিক নয়। তবুও কেন জানি নিজেকে তার মেঘের মতো মনে হয়। তার কোথায় জানি যেতে ইচ্ছা করে। এ রকম ইচ্ছা তো সব মানুষেরই কবে। সব মানুষের ভেতরই কি তাহলে এক টুকরা মেঘ ঢুকে আছে, যে কেবলি কোথাও যেতে চায়?ভূমিকাঃঅনেকদিন থেকে লেখালেখি করতে পারছিলাম না। কাগজ-কলম নিয়ে বসি-ঘন্টাখানিক পার হয় উঠে আসি। কাগজে নানাবিধ চিত্রকলা দেখা যায়। সেইসব চিত্রকর্ম দেখে আমার পুত্র নুহাশ খুব আহ্লাদিত হলেও অন্যরা আমার দিকে কেমন কেমন করে যেন তাকায়। এক সময় লিখতে শুরু করলাম। খুবই অনাগ্রহ দিনে লেখা। যেন আনন্দময় লেখা নয় বিশ্ববিদ্যালয়ে জমা দেবার জন্যে টার্ম পেপার তৈরি করছি। লেখাটা এগোতে লাগল একটু অদ্ভুত ভঙ্গিতে, সবাই প্রথম চ্যাপ্টার লিখে দ্বিতীয় চ্যাপ্টার লেখে তারপর যায় তৃতীয়তে। আমি শুরু করলাম উল্টো দিকে। প্রথম যে চ্যাপ্টারটা লেখা হল-এক সময় সেটা হয়ে গেল সপ্তম চ্যাপ্টার। যা শুরু হল আমাদের ময়মনহিংহের ভাষায় তাকে বলে-“বেরাছেড়া”। এক সময় সেই বেরাছেড়ার সমাপ্তি হল। প্রকাশক বন্ধু আলমগীর রহমান খুশি মনে পাণ্ডুলিপি ছাপতে নিয়ে গেলেন। লেখা কম্পোজ এবং প্রুফ দেখা শেষ হবার পর যখন ছাপা শুরু হবে তখন আমি তাঁকে বললাম- কয়েকটা নাম পাল্টে দিতে হবে। নামগুলো উপন্যাসের চরিত্রগুলোর সঙ্গে যাচ্ছে না। তিনি মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়লেন। সঙ্গত যুক্তি দেখালেন-নামের সঙ্গে চরিত্রের সম্পর্ক কী? একই নাম অথচ চরিত্রের আকাশ-পাতাল পার্থক্য তো সব সময় দেখা যায়। অকাট্য যুক্তি-কিন্তু লেখালেখির জগৎটা হিমুর জগতের মতো যেখানে যুক্তি সব সময় খাটে না। নাম পাল্টানো হল। তখন আমি বললাম, বইয়ের নামও আমি পাল্টেছি। তিনি দ্বিতীয়বার মাথায় হত দিয়ে বসে পড়লেন। কারণ প্রচ্ছদ হয়ে গেছে। আবার নতুন নামে প্রচ্ছদ হল। বই বের হয়ে গেছে। এখন আমার বইয়ের বর্তমান নামটাও পছন্দ হচ্ছে না। মনে হচেছ আগের নামটাই ভালো ছিল। তারচেয়েও মজার ব্যাপার-চরিত্রগুলোর আগে যে নাম ছিল এখন মনে হচেছ সেই নামগুলোই ঠিক ছিল।হুমায়ূন আহমেদ৩১ জানুয়ারি’ ৯৭

ট্যাগ

উপন্যাস

অধ্যায় সূচিপত্র

মোট 26টি পরিচ্ছেদ
1
০১. মেঘ বলেছে যাব যাব
2
০২. গরম লাগছে
3
০৩. আকাশে বৃষ্টি বৃষ্টি ভাব
4
০৪. মে মাসের কড়া ঝাঁঝালো রোদ
5
০৫. আশরাফুজ্জামান সাহেব দরজা খুলে হতভম্ব হয়ে গেলেন
6
০৬. তিতলী কলেজে যাবার জন্যে তৈরি হয়েছে
7
০৭. সন্ধ্যা এখনো হয় নি
8
০৮. সন্ধ্যা মিলাবার পর
9
০৯. বিবাহিত পুরুষ সন্ধ্যার পর ঘরে থাকবে
10
১০. সোমবার তিতলীর তিনটা ক্লাস
11
১১. লিটনকে কেমন জানি অন্যরকম লাগছে
12
১২. তিতলীদের বাড়ির সামনে
13
১৩. রীনার জীবনে খুব আনন্দময় একটা ঘটনা
14
১৪. এক শ ডলারের নোটটা
15
১৫. হিশামুদ্দিন সাহেব বাথরুমে ঢুকে কল ছাড়লেন
16
১৬. রেজিস্ট্রি করা চিঠি
17
১৭. কর্মহীন লোক
18
১৮. ইংরেজিতে লেখা একটা ছোট্ট চিঠি
19
১৯. রীনা খুব শান্ত ভঙ্গিতেই তার সুটকেসে কাপড় ভরল
20
২০. যে চেয়ারটায় হিশামুদিন বসতেন
21
২১. তারেক মাগরেবের নামায শেষ করে
22
২২. রীনা ভালো আছে কি না
23
২৩. আজ লায়লার বিয়ে
24
২৪. নাম হাসান, হাসানুজ্জামান
25
২৫. তিতলী লক্ষ্য করল
26
২৬. তারেক অনেকক্ষণ ধরেই বসে আছে

সম্পর্কিত বইসমূহ (সুপারিশ)

"মেঘ বলেছে যাব যাব" এর মতো আপনার জন্য বিশেষ বাছাইকৃত আরও বই

সব বই দেখুন