কালবেলা
45 অধ্যায়
উপন্যাস
45টি অধ্যায়

কালবেলা

লেখক / অনুবাদক: সমরেশ মজুমদার

সারসংক্ষেপ

শেষ বিকেলটা অন্ধকারে ভরে আসছিল। দুপুরের পর থেকেই আকাশ মেঘলা, মাঝে মাঝে তরল মেঘেরা উড়ে উড়ে যাচ্ছিল আকাশছোঁয়া বাড়িগুলোর মাথা মুড়িয়ে। বাতাস আর্দ্র কিন্তু বৃষ্টিটাই যা হচ্ছিল না। জানলা খুললে অনেকটা দূর দেখা যায়। অনিমেষ চুপচাপ বসে ছিল। এরকম মেঘের দুপুর কিংবা বিকেলে মন কেমন বিষণ্ণ হয়ে যায়। খুব আলস্য লাগে তখন।

ট্যাগ

উপন্যাস

অধ্যায় সূচিপত্র

মোট 45টি পরিচ্ছেদ
1
১. শেষ বিকেলটা অন্ধকারে ভরে আসছিল
2
২. হাঁটুর খানিকটা ওপরে
3
৩. দেবব্রতবাবু খুব কাজের মানুষ
4
৪. ব্যাপারটা যে এত দ্রুত চাউর হয়ে যাবে
5
৫. একতলার ক্যান্টিন রুমে
6
৬. তিনটের ক্লাসটা শেষ হলে
7
৭. অনিমেষ উঠে দাঁড়িয়েছিল
8
৮. পরমহংস চলে যাওয়ার পর
9
৯. প্রায় পাঁচ বছর অনিমেষ
10
১০. অন্যমনস্ক হয়ে আংটিটা ঘোড়াচ্ছিল
11
১১. ভুলু নামের ওই বিদঘুটে ছেলেটি
12
১২. হোস্টেলে কেমন একটা থমথমে ভাব
13
১৩. য়ুনিভার্সিটিতে ঢোকার মুখে
14
১৪. বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের নির্বাচন
15
১৫. যুদ্ধ হয় একটার পর একটা
16
১৬. এমন বিষধর সাপ আছে
17
১৭. সন্ধ্যে নাগাদ সরিৎশেখর
18
১৮. হোস্টেলে ফিরে এসে অনিমেষ দেখল
19
১৯. সরিৎশেখরকে জানলার কাছে বসিয়ে
20
২০. জীবনে প্রথমবার থানায় এল অনিমেষ
21
২১. সরিৎশেখরের চিঠি এল
22
২২. খুব দ্রুত ঘটে যাচ্ছিল ঘটনাগুলো
23
২৩. উপনির্বাচনটি নিয়ে উত্তরবাংলা
24
২৪. কদমতলায় বাস থেকে নামতেই
25
২৫. তিস্তার ওপর সুন্দর ব্রীজ
26
২৬. অনিমেষের মুখের দিকে
27
২৭. দাসপাড়ার উপনির্বাচনের কংগ্রেসপ্রার্থী
28
২৮. কার্ডটা হাতে নিয়ে হতভম্ব
29
২৯. দারোয়ানকে ম্যানেজ করে
30
৩০. মাধবীলতা য়ুনিভার্সিটিতে আসেনি
31
৩১. সবুজ ডোরাকাটা শাড়ি
32
৩২. পয়লা তারিখে খুব ভোরে
33
৩৩. প্রথমেই জেনে নেওয়া দরকার
34
৩৪. খুব দ্রুত কাজ শুরু হয়ে গেল
35
৩৫. দক্ষিণেশ্বর স্টেশন থেকে ট্রেন
36
৩৬. বারীনকে ভাল লাগল অনিমেষের
37
৩৭. মাধবীলতাকে চিঠি
38
৩৮. খুব দ্রুত কাজ এগিয়ে যাচ্ছে
39
৩৯. সন্ধ্যে পার হয়ে গেছে
40
৪০. খুব পাকা জুয়াড়ীও
41
৪১. হাসিমারায় বসে কলকাতার খবর
42
৪২. মহাদেবদার সঙ্গে রিকশায়
43
৪৩. জায়গাটা লালবাজার
44
৪৪. সেদিন যারা গা ঢাকা দিতে পেরেছিল
45
৪৫. জানলায় কোলকাতা ঠিকঠাক

সম্পর্কিত বইসমূহ (সুপারিশ)

"কালবেলা" এর মতো আপনার জন্য বিশেষ বাছাইকৃত আরও বই

সব বই দেখুন