হৃদয়ের নৈঃশব্দ্য
ইন্দ্রনীল সান্যাল
সারসংক্ষেপ
অভিজ্ঞান, বৃন্দা, চন্দন, দময়ন্তী। সমাজের বিভিন্ন বৃত্ত থেকে আসা এই চার ছেলেমেয়ে ইন্ডিয়ান মেডিকাল কলেজের ছাত্রছাত্রী। অভিজ্ঞানের দাদা অনাবিল অতি বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং গোপনে নতুনগ্রামে গিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র চালনা শেখে। সে খবর পেয়ে গেছে কলকাতা পুলিশ। বৃন্দার মা মন্দিরা ‘বিধবাপুকুর’ ছবির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করে ফিরে আসছেন অভিনয় জগতে। তার আউটডোর শুটিং হচ্ছে নতুনগ্রামে। নতুনগ্রামে রাজ্য সরকারের ভূমি অধিগ্রহণ নিয়ে উত্তাল বঙ্গ রাজনীতিতে সরকারের বদল এসেছে। সুযোগ বুঝে নিজের রাজনৈতিক মতবাদ বদলে ফেলছে চন্দন। দময়ন্তীর বাবা ড্যানিয়েল রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড সহ্য করতে না পেরে বুদ্ধিজীবীদের মিছিলে পা মেলাচ্ছেন। সেই নিয়ে সংঘাত হচ্ছে আর্ট গ্যালারি মালিকের সঙ্গে। সম্পাদনার চাকরি চলে যাচ্ছে দময়ন্তীর মা শক্তিরূপার।… ইন্ডিয়ান মেডিকাল কলেজ থেকে পাশ করে বেরোচ্ছে ওরা চারজন। ওরা কি আর আগের মতো আছে? বন্ধুত্ব ও শত্রুতা, প্রেম ও বিরহ, ভালোবাসা ও ঘৃণা, সাম্যবাদ ও সুবিধাবাদ, বিবাহ ও পরকীয়া, যৌনতা ও হিংস্রতার বিশাল ক্যানভাসে আঁকা হয়েছে সুবৃহৎ এই উপন্যাস।
ট্যাগ
অধ্যায় সূচিপত্র
লেখক ইন্দ্রনীল সান্যাল-এর অন্যান্য বই
সকল বই →
মধুরেণ
ইন্দ্রনীল সান্যাল
মধুরেণ
শেষ নাহি যে
ইন্দ্রনীল সান্যাল
শেষ নাহি যে
হৃদয়ের শব্দ
ইন্দ্রনীল সান্যাল
হৃদয়ের শব্দ
অপারেশন ওয়ারিস্তান
ইন্দ্রনীল সান্যাল
অপারেশন ওয়ারিস্তান
খুঁজে খুঁজে খুন
ইন্দ্রনীল সান্যাল
খুঁজে খুঁজে খুন
তবু অনন্ত জাগে
ইন্দ্রনীল সান্যাল
তবু অনন্ত জাগে
সম্পর্কিত বইসমূহ (সুপারিশ)
"হৃদয়ের নৈঃশব্দ্য" এর মতো আপনার জন্য বিশেষ বাছাইকৃত আরও বই