গবেষণাগারে গুপ্তচর – দীপান্বিতা রায়
গবেষণাগারে গুপ্তচর – দীপান্বিতা রায়
প্রথম প্রকাশ – ফেব্রুয়ারি ২০১৯
প্রচ্ছদ – কৃষ্ণেন্দু মণ্ডল
.
আমার গল্পের উৎসাহী পাঠক
রাহুল আর মহুয়াকে
.
দিনু টিকটিকি ওরফে দিগন্ত দেবের সঙ্গে পাঠকদের পরিচয় বেশ কয়েকবছর। দিগন্ত পেশায় বাংলার অধ্যাপক। ভালো রবীন্দ্রসঙ্গীত গায় আর ফুটবল খেলে। মিকিমোটো নেকলেস উদ্ধার করার পর পুলিশমহলেও দিগন্তর পরিচিতি বেড়েছে। এমনিতে সে শখের গোয়েন্দা। বন্ধু-বান্ধবরা বিপদে পড়লে তার শরণাপন্ন হয়। আবার পুলিশ গোলকধাঁধায় ঘুরপাক খাচ্ছে এমন কেসেও আজকাল মাথা ঘামাতে হচ্ছে দিগন্তকে।
ছোটবেলার বন্ধু প্রণয় সবসময়ই সঙ্গে আছে। প্রণয় আবার কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগে কাজ করে। দিগন্তর স্ত্রী অঞ্জলি পেশায় সাংবাদিক। মাঝে-মধ্যে তার সাহায্যও নিতে হয় দিনুকে।
তবে দিনু মোটেই ক্যারাটে, কুংফু, বক্সিং কিচ্ছুটি জানে না। রিভলভার হাতে অপরাধীর পিছনে দৌড়োনোর ইচ্ছেও তার নেই। সত্যি কথা বলতে কী, ওসবে তার বিশ্বাসও নেই মোটেই। নীরেন সোমের মৃত্যু রহস্যের সমাধান করতে গিয়ে সে তার আসল অস্ত্রের নামটি বলে দিয়েছে পুগুলকে। সেটি হল ইনটেলিজেন্ট মিসাইল সংক্ষেপে ইনটেনাইল। তাহলে এবার দেখে নেওয়া যাক ইনটেনাইলের সাহায্যে নতুন কোন-কোন সমস্যার সমাধান করল দিনু টিকটিকি।
প্রসঙ্গত বলে রাখা ভালো পত্র ভারতীর কর্ণধার ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায়ের সক্রিয় উৎসহ না থাকলে দিনু টিকটিকির জন্ম হত কিনা সন্দেহ। কারণ গোয়েন্দা গল্প লেখার কথা আমি তার আগে কখনও ভাবিনি। ভুল-ত্রুটি এখনও বহু হয়, সহৃদয় অগ্রজ ত্রিদিব চট্টোপাধ্যায় সেগুলি সযত্নে সংশোধন করেন। তাই তাঁর প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা অসীম।
পত্র ভারতীয় সকলের যত্নে এবং সহযোগিতায় দিনু টিকটিকির দ্বিতীয় বই গবেষণগারে গুপ্তচর প্রকাশিত হল। পাঠকদের যাতে ভালো লাগে, তারজন্য সাধ্যমত চেষ্টা করেছি। তবে তারপরেও যদি কিছু ভুলভ্রান্তি থেকে যায়, তাহলে তার দায়িত্ব পুরোটাই আমার।
দীপান্বিতা রায়
Book Content
পরবর্তী পাঠের সুপারিশ
"গবেষণাগারে গুপ্তচর" পড়তে পড়তে আপনার পছন্দের অন্যান্য বই
গবেষণাগারে গুপ্তচর
দীপান্বিতা রায়